Saturday, July 12, 2014

স্বপ্নদোষ…

Posted by with No comments
স্বপ্নদোষ হলো একজন পুরুষের ঘুমের মধ্যে বীর্যপাতের অভিজ্ঞতা। এটাকে ‘ভেজাস্বপ্ন’ও বলা হয়।
১৩ থেকে ১৯ বছর বয়সী ছেলেদের এবং প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার প্রাথমিক বছরগুলোতে স্বপ্নদোষ খুব সাধারণ। তবে বয়ঃসন্ধিকালের পরে যেকোনো সময় স্বপ্নদোষ হতে পারে। এটার সাথে যৌন উত্তেজক স্বপ্নের সম্পর্ক থাকতে পারে, আবার নাও পারে। আবার পুরুষদের উত্থান ছাড়াই স্বপ্নদোষ ঘটতে পারে। ঘুম থেকে জাগার সময় কিংবা সাধারণ ঘুমের মধ্যে যে স্বপ্নদোষ হয়, তাকে কখনো কখনো ‘সেক্স ড্রিম’ বলে। মহিলাদের ঘুমের মধ্যে চরম পুলক লাভের অভিজ্ঞতা ঘটতে পারে।
স্বপ্নদোষের পরিমাণ ভিন্ন ভিন্ন হয়। কিছু পুরুষের টিনএজারদের মতো বেশিসংখ্যক স্বপ্নদোষ হয়, আবার অনেক পুরুষের একবারও হয় না। যুক্তরাষ্ট্রের ৮৩ শতাংশ পুরুষের জীবনে কখনো না কখনো স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা ঘটে। পশ্চিমা দেশগুলোর বাইরের দেশগুলোতে ৯৮ শতাংশ পুরুষের স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা ঘটে। অবিবাহিতদের ক্ষেত্রে, ১৫ বছর বয়সী ছেলেদের সপ্তাহে ০.৩৬ বার থেকে শুরু করে ৪০ বছর বয়সী পুরুষদের সপ্তাহে ০.১৮ বার স্বপ্নদোষ হয়। বিবাহিত পুরুষদের ক্ষেত্রে এই মাত্রা ১৯ বছর বয়সী ছেলেদের সপ্তাহে ০.২৩ বার থেকে ৫০ বছর বয়সী পুরুষদের সপ্তাহে ০.১৫ বার হয়।
কিছু পুরুষ কেবল একটা নির্দিষ্ট বয়সে এ ধরনের স্বপ্ন দেখেন, পক্ষান্তরে অন্য বয়ঃসন্ধিকালের পর থেকেই সারাজীবন এ ধরনের স্বপ্ন দেখতে থাকেন। ঘন ঘন স্বপ্নদোষের সাথে ঘনঘন হস্তমৈথুন করার সুনিশ্চিত সম্পর্ক নেই। বিশ্বখ্যাত যৌন গবেষক আলফ্রেড কিনসে দেখেছেন, ‘ঘনঘন হস্তমৈথুন এবং ঘনঘন যৌন উত্তেজক স্বপ্নের মধ্যে কিছুটা সম্পর্ক থাকতে পারে। সাধারণভাবে যেসব পুরুষের ঘনঘন স্বপ্নদোষ হয়, তারা কম হস্তমৈথুন করেন। এসব পুরুষের কেউ কেউ গর্বিত হন এই ভেবে যে, তাদের ঘনঘন স্বপ্নদোষ হয়, এ কারণে তারা হস্তমৈথুন করেন না। অথচ এদের বেলায় উল্টোটা সত্যি। তারা হস্তমৈথুন করেন না কারণ তাদের ঘনঘন স্বপ্নদোষ হয়।’
একজন পুরুষের স্বপ্নদোষের মাত্রা বেড়ে যায় যদি তিনি টেস্টোসটেরনসমৃদ্ধ ওষুধ গ্রহণ করেন। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, কিছুসংখ্যক বালক টেস্টোসটেরনের মাত্রা বাড়ানোর ফলে তাদের স্বপ্নদোষের মাত্রাও মারাত্মকভাবে বেড়ে গেছে। ১৭ শতাংশ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯০ শতাংশে।
বয়ঃসন্ধিকালে ১৩ শতাংশ পুরুষের প্রথম বীর্যপাতের অভিজ্ঞতা ঘটে স্বপ্নদোষ হিসেবে। তবে অনেকেই প্রথম বীর্যপাত ঘটায় হস্তমৈথুনের মাধ্যমে।
স্বাভাবিকভাবে বীর্যপাতের পরে পুরুষাঙ্গ শিথিল হয়ে যায়। তবে স্বপ্নদোষের ক্ষেত্রে, বীর্যপাতের পরও পুরুষাঙ্গ শক্ত থাকে।
যদিও স্বপ্নদোষ প্রতিরোধ করতে কিংবা বন্ধ করতে বেশকিছু চিকিৎসা রয়েছে, তবে অনেকেই সেই চিকিৎসার মধ্যে যান না। হিক্কার মতো স্বপ্নদোষেরও অনেক ধরনের ঘরোয়া প্রতিষেধক রয়েছে, তবে তার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। তা ছাড়া স্বপ্নদোষ কোনো শারীরিক ক্ষতি করে না বলে এবং কোনো ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করে না করে বলে সাধারণত চিকিৎসা গ্রহণের পরামর্শ দেয়া হয় না।
মহিলাদের ক্ষেত্রে কিনসে দেখেছেন, ৫ হাজার ৬২৮ জন মহিলার মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ মহিলা তাদের ৪৫ বছর বয়সের সময় কমপক্ষে একবার স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন। ওই সব মহিলা কিনসের সাথে এক সাক্ষাৎকারে একথা বলেছেন। এক গবেষণায় দেখা গেছে, ৮৫ শতাংশ মহিলা তাদের ২১ বছর বয়সের সময় স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা লাভ করেন। কেউ কেউ ১৩ বছর বয়সে পড়লে এ অভিজ্ঞতা লাভ করেন। যেসব মহিলা ঘুমের মধ্যে চরম পুলক লাভ করেন, সাধারণত তাদের বছরে কয়েকবার এটা হয়। মহিলাদের রতিমোচন হিসেবে ঘুমের মধ্যে যৌন উত্তেজনা জাগে যার মাধ্যমে তারা রতিমোচনের অভিজ্ঞতা লাভ করেন। পুরুষদের ক্ষেত্রে তাদের স্বপ্নদোষ নির্ণয় করা সহজ, কারণ হলো বীর্য। মহিলাদের যোনিপথে নিঃসরণ রাগ মোচন ছাড়াই যৌন উত্তেজনার চিহ্ন হতে পারে।
স্পারম্যাটোরিয়া
১৮ ও ১৯ শতকে, যদি একজন রোগীর ঘনঘন অনৈচ্ছিক বীর্যপাত হতো কিংবা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি পরিমাণ বীর্য বের হতো তখন তার রোগ নির্ণয় করা হতো স্পারম্যাটোরিয়া বা ‘ধাতুদৌর্বল্য’ বলে। এ ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ এবং অন্যান্য চিকিৎসা যেমনন্ধ খৎনা করার পরামর্শ দেয়া হতো। বর্তমানে কিছু হার্বাল ওষুধ দিয়ে অনেকেই এর চিকিৎসা করলেও তার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।
প্রচলিত ধারণা
অনেক রোগী স্বপ্নদোষ হওয়াকে মারাত্মক রোগ বলে মনে করেন। তাদের ধারণা, যৌবনে এটা একটা প্রধান যৌন সম্পর্কিত রোগ। কেউ কেউ নানা ধরনের চিকিৎসা করানন্ধ এমনকি স্বপ্নদোষ ও হস্তমৈথুনের জন্য প্রচলিত ব্যয়বহুল চিকিৎসা করান। এদের অজ্ঞতার সুযোগ নেন অনেকে। স্বপ্নদোষকে ভয়াবহ রোগ হিসেবে অভিহিত করে রোগীর মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন।
আরও বিভিন্ন যৌন সমস্যা নিয়ে জানতে চাইলে যোগাযোগ করুন:
ডাঃ মাহবুবুর রহমান
মোবাইল : 01766133099
- See more at: http://prothombarta.com/2014/07/11/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%b7/#.U8DjWpzWoZZ

Saturday, July 5, 2014

টেস্ট–ওয়ানডে ছাড়ার হুমকি সাকিবের

Posted by with No comments
টেস্ট–ওয়ানডে ছাড়ার হুমকি সাকিবের
আপডেট: ১৩:২৮, জুলাই ০৫, ২০১৪

ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএলে) খেলতে না দিলে বাংলাদেশ দলের হয়ে ওয়ানডে, টেস্ট খেলবেন না—কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহেকে নাকি টেলিফোনে এমন হুমকিই দিয়েছেন সাকিব আল হাসান! অস্ট্রেলিয়া থেকে কোচ এটি ই-মেইলে জানিয়েছেন বিসিবিকে।
বিসিবির সভাপতি নাজমুল হাসান সেই ই-মেইলের প্রাপ্তি স্বীকার করে কাল বললেন, ‘এ রকম একটি চিঠি আমি দেখেছি। ঠিক বুঝতে পারছি না, কী করে ও (সাকিব) এ কথা বলতে পারে! আমি তাদের সঙ্গে সামনাসামনি বসে বিষয়টা জানতে চাইব।’ কাল সন্ধ্যায় টেলিফোনের অন্য প্রান্তে বিসিবির সভাপতিকে বেশ কঠোরই মনে হলো, ‘এটা যদি সত্যি হয়, কাউকেই ছাড়া হবে না। শৃঙ্খলার প্রশ্নে কোনো আপস নয়।’
এর আগে গত বুধবার বিসিবির অনাপত্তিপত্র না নিয়েই সিপিএল খেলতে সস্ত্রীক দেশ ছাড়েন সাকিব। লন্ডনে দুদিন থেকে বারবাডোজে যাওয়ার কথা তাঁর। কিন্তু এর আগেই বিসিবি ই-মেইলে সাকিবকে জানিয়ে দেয়, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব দেশে ফিরে যেন জাতীয় দলের অনুশীলনে যোগ দেন। তবে জানা গেছে, তাৎক্ষণিকভাবে অনাপত্তিপত্র না পেলেও যাওয়ার আগে সাকিব বিসিবির কাছে আবেদন করে ক্রিকেট পরিচালনা প্রধান আকরাম খানের মৌখিক অনুমতি নিয়েছেন।
লন্ডনের বিমানে ওঠার আগে ছুটিতে অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়া কোচ হাথুরুসিংহের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলেন সাকিব। কোচ তাঁকে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে সিপিএল থেকে ফিরে দেশে ১ আগস্ট জাতীয় দলের ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের অনুশীলনে যোগ দিতে বলেন। কিন্তু সাকিব পুরো সিপিএল খেলে একবারে ওয়েস্ট ইন্ডিজেই জাতীয় দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। এ নিয়ে কোচের সঙ্গে নাকি উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ও হয় সাকিবের। সেটারই একপর্যায়ে তিনি হাথুরুসিংহেকে বলেন, দরকার হলে টেস্ট-ওয়ানডে থেকে অবসর নিয়ে ফেলবেন। বাংলাদেশের প্রধানতম ক্রিকেটারের এমন কথায় হতভম্ব হয়ে যান কোচ এবং সেটা ই-মেইলে জানান বিসিবিকে।
ওদিকে বিসিবি সাকিবকে অনাপত্তিপত্র না দেওয়ায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড (ডব্লিউআইসিবি)। এবারের আইপিএলের বড় তারকা সাকিব। তাঁর অনুপস্থিতিতে সিপিএল যে অনেকটাই জৌলুশ হারাবে! ডব্লিউআইসিবির সভাপতি কাল বিসিবির সভাপতির সঙ্গে প্রথমে টেলিফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। না পেয়ে ই-মেইলে সাকিবকে অনাপত্তিপত্র দেওয়ার অনুরোধ জানান। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ বোর্ড সভাপতির অনুরোধ সত্ত্বেও সাকিবকে সিপিএলে খেলার অনাপত্তিপত্র দেওয়ার আশ্বাসবাণী শোনাচ্ছেন না নাজমুল হাসান, ‘এনওসি (অনাপত্তিপত্র) দেওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। ও শৃঙ্খলা ভেঙেছে। এ ব্যাপারে আমরা খুবই কঠোর। ৭ জুলাইয়ের বোর্ডসভাতেই এনওসি দেওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হবে।’
অবশ্য সাকিবের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, ঘটনা এত দূর গড়িয়ে যাওয়ায় সিপিএলে খেলতে তিনি নিজেই আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন। আজ-কালের মধ্যে দেশে ফিরে কাল বিকেলেই জাতীয় দলের অনুশীলনে যোগ দেওয়ার কথা সাকিবের।
সেটা হয়তো দেবেন, কিন্তু তাঁকে নিয়ে সর্বশেষ এই বিতর্ক ক্রিকেটারদের শৃঙ্খলার ব্যাপারে আরও কঠোর করে তুলছে বিসিবিকে। যার আরেকটা উদাহরণ দেখা যেতে পারে দ্রুতই। নাজমুল হাসানই বলছিলেন, ‘এখন থেকে কোনো খেলোয়াড় বিসিবির অনুমতি ছাড়া কোনো পণ্যের বিজ্ঞাপনে অংশ নিতে পারবে না। ৭ তারিখেই এ ব্যাপারে চিঠি ইস্যু করব।’

কোল্ডড্রিংক প্রেমীদের জন্য দুঃসংবাদ

Posted by with No comments

কোল্ডড্রিংক প্রেমীদের জন্য দুঃসংবাদ

July 4, 2014

কোল্ডড্রিংক প্রেমীদের জন্য দুঃসংবাদ
লাইফ স্টাইল :
কোল্ডড্রিংক প্রেমীদের জন্য দুঃসংবাদ হল এটা কিডনি নষ্ট করতে খুব গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। সাম্প্রতিক গবেষণায়  এমনি তথ্য পাওয়া গেছে।
জাপানের ওসাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা তাঁদের সাম্প্রতিক গবেষণার মাধ্যমে দেখিয়েছেন দিনে দু`বোতল কোল্ডড্রিঙ্ক প্রোটিনিউরিয়ার বা মূত্রের মাধ্যমে অতিরিক্ত প্রোটিনের নির্গমনের কারণ হয়। প্রোটিনিউরিয়া কিডনির স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা নষ্ট হওয়ার জন্য দায়ী।
গবেষকরা, তিন ধাপে  ৩৫৭৯ জনকে, ৩০৫৫ জনকে ও ১৩৪২ জন সুস্থ মানুষকে পর্যায়ক্রমে দিনে শূন্য, এক, একাধিকবার কোল্ডড্রিঙ্ক খাইয়ে দেখেছেন প্রথম ক্ষেত্রে ৮.৪%, দ্বিতীয় ক্ষেত্রে ৮.৯% ও তৃতীয় ক্ষেত্রে ১০.৭% প্রোটিনিউরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। প্রায় তিন বছর ব্যাপী এই গবেষনার কাজটি করে তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা উক্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন।
এদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা পরীক্ষা করে দেখেছেন কোল্ডড্রিংকে মিষ্টি স্বাদ তৈরি করার জন্য যে পরিমাণ ফ্রুক্টোস সিরাপ ব্যবহার করা হয় তা কিডনি বিকল করতে যথেষ্ট। (সুত্র : ইন্টারনেট)
লেটেস্টবিডিনিউজ/জেডএইচ

ঢাকা মাতাতে আসছেন শাকিরা

Posted by with No comments

ঢাকা মাতাতে আসছেন শাকিরা

ঢাকা মাতাতে আসছেন শাকিরা
বিনোদন ডেস্কঃ
বিশ্বের জনপ্রিয় পপ তারকা শাকিরা ঢাকা আসছেন । অন্তর শোবিজের একটি  স্টেজ শোতে অংশ নিতে ঢাকায় আসছেন ৩৭ বছর বয়সী এই গায়িকা।
আগামী সেপ্টম্বর বা অক্টোবরে ঢাকা আসবেন শাকিরা।বাংলাদেশে শাকিরার পারফর্মেন্সের মাধ্যমে এক বিশাল আয়োজনের দৃষ্টান্ত টানতে চায় অন্তর শোবিজ।অনুষ্ঠানটিতে আর কে কে অংশ নিতে পারেন তা সম্পর্কে এখনও জানা যায়নি তবে শাকিরার বিষয়টা চুরান্ত হয়েছে।
বিশ্বকাপের সমাপনী অনুষ্ঠানেও পারফর্ম করবেন শাকিরা।
লেটেস্টবিডিনিউজ/মৃদুল/

নারীরা যে ১০টি বিষয়ে অনুশোচনায় ভোগেন

Posted by with No comments

নারীরা যে ১০টি বিষয়ে অনুশোচনায় ভোগেন

সাংসারিক জীবনে নারীরা সর্বদা ব্যস্ততার মধ্য দিয়ে সময় পার করেন। বিশেষ করে যারা বিভিন্ন চাকরির সাথে জড়িত তাদের ব্যস্ততার শেষ নেই। নিজ কর্মস্থল ও পরিবার সামলাতে গিয়ে তাদের নানা বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়। এ কারণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে তারা নিজেদের দোষী বলে মনে করেন।
নারীরা যে ১০টি বিষয়ে অনুশোচনায় ভোগেন
সম্প্রতি একটি গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বের ৯৬ শতাংশ নারী এমন সমস্যার মুখোমুখী হন। প্রতিদিন অন্তত একবার হলেও তাদের এসব সমস্যা মানসিকভাবে পীড়া দেয়। এসব সমস্যা তাদের শরীরের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
মনোবিজ্ঞানী বিভারলি স্টোন এমন ১০টি সমস্যা ও কীভাবে তা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় সে সব বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন।
১. সন্তানকে ঠিকমত সময় না দেয়া: নারীরা বাড়িতে ছোট সন্তান রেখে যখন অফিসে যান তখন বাচ্চাকে নিয়ে নানা চিন্তা করেন। এজন্য অফিসে ঠিকমত মনোযোগ দিতে পারেন না। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, যেসব নারী এসব সমস্যায় ভোগেন তাদের উচিত পরিবার ও অফিসের জন্য নির্দিষ্ট সময় বেছে নেয়া। প্রয়োজনে বাচ্চাকে দেখাশুনা করার জন্য আস্থাবান মানুষ রেখে দেয়া।
২. শারীরিক ওজন নিয়ে চিন্তা: অনেক নারী আছেন যারা বুঝতেই পারেন না যে, আসলে তার ওজন ঠিক আছে কি না। এজন্য তিনি কি করবেন তাও ভেবে ঠিক করতে পারেন না। এসব নারীর উচিত স্বাভাবিক স্বাস্থ্যের অধিকারী হতে চাইলে নিয়মিত ব্যায়ামাগারে যাওয়া ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ মেনে চলা।
৩. টাকা ব্যয় নিয়ে সমস্যা: অনেক নারী আছেন যখন তিনি মদ্যপান করেন বা অতিরিক্ত কোনো খাতে টাকা ব্যয় করেন তখন তাদের কাছে কিছু মনে হয় না। কিন্তু পরবর্তীতে তারা নানা চিন্তা করেন। এজন্য তাদের উচিত আগে থেকে চিন্তাভাবনা করা আসলে তিনি যা করছেন সেটি ঠিক না ভুল।
৪. স্বামীর সাথে সময় ব্যয় করা: অনেকেই মনে করেন, তিনি তার স্বামীর সাথে যে সময় ব্যয় করছেন তা যথেষ্ট নয়। এ কারণে তার দাম্পত্য জীবনও সুখের হচ্ছে না। এমন নারীদের উচিত তার স্বামীর সাথে কথা বলে কিছু নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করা এবং সে সময় বাইরে বেড়াতে যাওয়া বা দুই জন মিলে কিছু সময় কাটানো।
৫. রাস্তায় জ্যামে পড়া: রাস্তায় জ্যামে পড়লে পুরুষ হোক বা নারী হোক সবারই খারাপ লাগে। এজন্য সবার উচিত জ্যামে বসে থাকলে বাজার তালিকা ঠিক করা বা কোনো আলোচনা সভায় বক্তব্য দেয়ার কথা থাকলে তার অনুশীলন করা।
৬.আতিথেয়তার ক্ষেত্রে: নারীরা সর্বদা অতিথিপরায়ণ হন। তারা সবার সামনে সুন্দর খাবার উপস্থাপন করতে চান। এছাড়া তারা যখন কোনো অনুষ্ঠানে অংশ নিতে যান তখন সেখানে নিজেকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে চান। এর যদি একটু ব্যতিক্রম ঘটে তাহলে তারা নিজেদের দোষী বলে মনে করেন। এক্ষেত্রে তাদের একটু আগে থেকে সময় নিয়ে প্রস্তুতি নেয়া উচিত।
৭. জন্মদিনের কথা ভুলে যাওয়া: মানুষ তো পৃথিবীতে সর্বদাই কোনো না কোনো কাজে ব্যস্ত থাকে। এর মধ্যে তিনি জন্মদিনের কথা ভুলে যেতেই পারেন। তবে নারীদের ক্ষেত্রে এমনটি ঘটলে তারা নিজেদের দোষী বলে মনে করেন। এক্ষেত্রে নারীদের মনে করা উচিত তিনি যা করছেন তা ভালোই করছে। দুই একটি বিষয় মনে না থাকতেই পারে।
৮. নিজের জন্য কিছু সময় রাখা: নারীরা তো সর্বদাই পরের জন্য ব্যস্ত থাকেন। তাই অনেকে এসব নিয়ে মাঝে মধ্যে নিজেকে দোষী মনে করেন। তিনি কেন নিজের জন্য সময় ব্যয় করতে পারছেন না এজন্য মানসিকভাবে খারাপ লাগে।
৯. বাবা-মার জন্য কিছু করতে না পারা: অনেকে আছেন যারা বাবা-মার জন্য ভালো কিছু না করতে পারলে নিজেদের কাছে খারাপ লাগে। আবার পারিবারিক সূত্রেও নারীদের নিজেদের দোষী মনে করার সমস্যা দেখা দেয়।
১০. না বলা: নারীদের পরিবারের সব দায়িত্ব নিতে হয়। সবাইকে যাতে তারা সন্তুষ্ট করতে পারেন এমন শিক্ষা তাদের পরিবার থেকে দেয়া হয়। যদি নারীরা কাউকে সন্তুষ্ট না করতে পারেন, যদি কোনো বিষয়ে কাউকে না বলেন তাহলে তারা নিজেদের দোষী মনে করেন।
নারীদের এখন পুরুষের মত ঘর বাহির দুটিই সামলাতে হয়। অনেক দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তার মধ্যে একটু ভুল হলেই তারা মনে করেন, এটি তার নিজের কারণে হয়েছে। তবে মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, তাদের নিজেদের দোষী মনে না করে সেটি যাতে আর পরবর্তীতে না ঘটে সে জন্য উদ্যোগ নেয়া উচিত।

যে ৬টি বিষয় নিয়ে বেশিরভাগ পুরুষ জীবনের শেষেও আফসোস করে থাকেন

Posted by with No comments
যে ৬টি বিষয় নিয়ে বেশিরভাগ পুরুষ জীবনের শেষেও আফসোস করে থাকেন 
একটি মানুষের সব ইচ্ছেই কি পূরণ হয়? সাধ্যমত ইচ্ছাপূরনের চেষ্টা করার পরেও সাধ্যের বাইরেই থেকে যায় কিছু ইচ্ছা। আর তাই জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে অনেক বিষয় নিয়েই আফসোস করে মানুষ। বিশেষ করে পুরুষদের মনে নানান বিষয় নিয়ে থাকে হতাশা। অনেক ইচ্ছা অপূর্ন রয়ে যাওয়ার কারণে কিংবা অনেক সুযোগ হাত ছাড়া করার আফসোস গুলো মনে পড়ে জীবনের শেষ প্রান্তে এসে। কিন্তু তখন কোনোভাবেই সেই ফেলে আসা সময়টাতে ফিরে যাওয়া সম্ভব নয়। তাই আফসোস করে দীর্ঘশ্বাস ফেলা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকে না। জেনে নিন তেমনই ৬টি আফসোস সম্পর্কে যেগুলো অধিকাংশ পু্রুষই জীবনের শেষ পর্যন্ত করে থাকেন।
যে ৬টি বিষয় নিয়ে বেশিরভাগ পুরুষ জীবনের শেষেও আফসোস করে থাকেন
ভালোবাসার কথা না জানাতে পারা
খুব ভালোবেসে ফেলেছিলেন কাউকে। কিন্তু কোনো দিনও মুখ ফুটে জানাতে পারেন নাই ভালোবাসার কথাগুলো। এমন তো নয় যে ভালোবাসার কথা গুলো বলে দিলে পছন্দের মানুষটিকে জীবন সঙ্গী হিসেবে পেতেন। কিন্তু মনের গভীরের অনুভূতিগুলো প্রকাশ তো করা হতো তাই না? আপনার পছন্দের মানুষটি জানতে পারতো আপনি তাকে কতটা ভালোবেসেছেন। পছন্দের মানুষটিকে ভালোবাসার কথা মুখ ফুটে না বলতে পারার আফসোস পুরুষরা সারাজীবনই করে থাকে। এমনকি এরপর অন্য কারো সাথে সুখী বিবাহিত বন্ধনে আবদ্ধ হলেও সেই আফসোস মনের কোণে জমে থাকে। তাই জীবনের শেষ পর্যায়ে গিয়েও আফসোস করতে না চাইলে ভালোবাসার কথা জানিয়ে দিন প্রিয় মানুষটিকে।
আরেকটু ভালো করে পড়াশোনা না করা
যখন পড়াশোনা করার বয়স থাকে তখন প্রায় সবাই বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিয়ে নাহলে অন্য কিছু করে সময়টাকে নষ্ট করে। কিন্তু ছাত্র জীবনের পরের থেকে জীবনের শেষ পর্যন্ত অধিকাংশ পুরুষদের আফসোস রয়ে যায় এই বিষয়টি নিয়ে। তখন তাদের মনে হয় ছাত্র জীবনে আরো একটু ভালো করে পড়াশোনা করা উচিত ছিলো।
ভুল চাকরী নির্বাচন
জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে পুরুষদের মনে আফসোস জন্মায় তার চাকরী নির্বাচন নিয়ে। জীবনের প্রথম চাকরী নির্বাচন, একই চাকরীতে দীর্ঘদিন আটকে থাকা এবং ক্যারিয়ার সম্পর্কিত আরো নানান বিষয় নিয়ে আফসোস করেন অধিকাংশ পুরুষ। বিশেষ করে জীবনের শেষ পর্যায়ে এসেও যারা খুব বেশি সঞ্চয় করতে পারেন নাই কিংবা সাফল্য অর্জন করতে পারেন নাই তাদের এধরণের আফসোসগুলো বেশি হয়।
সঠিক সময়ে বিয়ে না করা
শুনতে অদ্ভুত শোনালেও সত্যি যে অধিকাংশ পুরুষই জীবনের শেষ পর্যায়ে গিয়ে সঠিক সময়ে বিয়ে করতে না পারার কারণে আফসোস করেন। বিশেষ করে চাকরী থেকে অবসর নেয়ার পড়ে এধরণের আফসোস গুলো বেশি করে থাকেন পুরুষরা। সন্তান কর্মক্ষম হওয়ার আগেই যেসব বাবারা অবসরগ্রহণ করেন তাঁরা এই বিষয়টি নিয়ে আফসোস করে থাকেন।
অতিরিক্ত কাজের কারণে নিজের ও পরিবারের জন্য সময় না রাখা
কর্মজীবনে কাজ ছাড়া আর কিছুই বোঝেন না অধিকাংশ পুরুষ। পরিবার, বাবা-মা কিংবা নিজের জন্য একেবারেই সময় থাকে না তাদের। ফলে পারিবারিক সুখ-শান্তি, আনন্দ, হাসি-খেলা সব কিছু থেকেই নিজেকে বঞ্চিত করে ফেলে বেশিরভাগ পুরুষ। আর তাই এই বিষয়টিই তাদের আফসোসের কারণে পরিণত হয়।
ধূমপান না ছাড়া
যে সব পুরুষ বেশ কম বয়স থেকেই ধূমপান শুরু করেন তাদের নানান রকম শারীরিক জটিলতা শুরু হয় জীবনের শেষ প্রান্তে। আর তখন তাঁরা আফসোস করেন সময়মত ধূমপান ত্যাগ না করার কারণে।

কোন রাশি কতটুকু যৌন আবেদনময়

Posted by with No comments
কোন রাশি কতটুকু যৌন আবেদনময়
 মেষ (২১ মার্চ - ২০ এপ্রিল)
মঙ্গল হলো যৌনতা, যুদ্ধ এবং শক্তির দেবতা আর এ সবকিছুই ফুটে ওঠে মেষ রাশির জাতক-জাতিকার জীবনে। দৈহিক প্রেমের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগে পারঙ্গম এই মানুষেরা দুর্দান্ত প্রেমিক হিসেবে পরিচিত। কিন্তু বেস্ট পারফরম্যান্সের জন্য আপনাকে ব্যাটবল চালাতে হবে সমানতালে। আর খেলার মাঠের কাটাছেঁড়া, রক্ত বা অন্য কোনো লাভ বাইট দেহজ প্রেমকে যেন করে তোলে আরো আকর্ষণীয়।
 বৃষ (২১ এপ্রিল - ২১ মে)
ভালোবাসার সব... পারদর্শী ভেনাসের প্রত্যক্ষ প্রভাব রয়েছে এই রাশির জাতক জাতিকার ওপর। এরা দৈহিক ভালোবাসার ক্ষেত্রে একই সঙ্গে খুব সংবেদনশীল এবং শক্তিমত্তা প্রয়োগে পারঙ্গম। যৌনতার স্ট্যামিনা বা শক্তির দিক থেকে এদের জুড়ি মেলা ভার। ক্লান্তিবিহীন, সদাপ্রস্তত এবং ছন্দময় দৈহিক সম্পর্কের গ্যারান্টি দিয়ে থাকে এই রাশির মানুষেরা।
 মিথুন (২২ মে – ২১ জুন)
বুধ গ্রহের প্রভাবে সদাসর্তক মনোভাব, মিষ্টভাষী, আদুরে আর খুনসটিপূর্ণ ব্যক্তিত্ব নিয়ে এই রাশির জাতক-জাতিকা রয়েছে মহাসুখে। শুদ্ধ ‘কথা’ দিয়েই অপর মানুষদের বশ করতে এদর জুড়ি নেই। যৌনতার বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্টাল দিক এই রাশির মানুষদের টানে। আপনার মিথুন প্রেমিক/প্রেমিকাকে আপনি শয্যায় পেতে পারেন ঠিক যেভাবে আপনি চান।
 কর্কট (২২ জুন – ২২ জুলাই)

দৈহিক প্রেমের ক্ষেত্রে কর্কট রাশির জাতক জাতিকার সাহচর্য রোলার কোস্টার রাইডের মতো। চরম আনন্দের শিখরে তো এই শান্তশিষ্ট, ভাজা মাছটি উল্টে খেতে না জানার মতো হাবভাব। তাই এদের সঙ্গে কোনো কিছু করার সময় সারপ্রাইজড হওয়ার প্রস্তুতি থাকতে হবে পুরেদম্ভর।

 সিংহ (২৩ জুলাই - ২৩ আগস্ট)

প্রেমিক-প্রেমিকা হিসেবে বিখ্যাত সিংহ দৈহিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও নিজরে সুনামের অচিবার করেনি। যে কোনো প্রগাঢ় সম্পর্কের ক্ষেত্রেই এদের ইতিবাচক মনোভাব, হাস্যরস আর শরীরিক দক্ষতা তুলনাহীন। তাই প্রবল যৌনাবেদময়/ময়ী সিংহ রাশির কাউকে ভালবাসার মানুষ হিসেবে পাওয়া সত্যিই ভাগ্যের ব্যাপার।


 কন্যা (২৪ আগস্ট – ২৩ সেপ্টেম্বর)
নিখাদ ভালবাসা আর দুর্দান্ত সেক্সের অসাধারণ প্যাকেজ আপনাকে উপহার দিতে পারে কন্যা পুরুষ বা মহিলা। কান, ঠোঁট বা স্তনের সংবেদনশীলতা এ রাশির মানুষের অতিমাত্রায় বেশি আর দেহজ ভালবাসার ক্ষেত্রে কোমলতা ও রক্ষতার অদ্ভুত এক সমন্বয় এদের পছন্দ।
 তুলা (২৪ সেপ্টেম্বর – ২৩ অক্টোবর)
দিনে বন্ধু আর রাত্রিতে প্রেমিক এই প্রবাদের সবচেয়ে বড় উদারহণ হলো তুলা রাশির ছেলে-মেয়েরা। ভেনাসের প্রভাবে এরা সাধারণত সৌন্দর্য, রহস্যময়তা আর দৈহিক আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। সঙ্গী-সঙ্গিনীদের শুধু একটু হাসি, উদ্দেশ্য পূর্ণ চাহনি, গাঢ় আলিঙ্গন বা হাতে মৃদু স্পর্শের মাধ্যমেই পটিয়ে ফেলতে পারে তুলা পুরুষ বা মহিলারা। দেহজ প্রেমের ক্ষেত্রে তারা আপনাকে বশে আনতে চাইবে না বরং আপনাকে দেবে ভালবাসার সুখ সাগরে অবাধ স্বাধীনতা। এভাবেই তুলারা অর্জন করতে পারবে আপনার বিশ্বাস আর দৈহিক সম্পর্কের চরম উৎকৃষ্টতা।
 বৃশ্চিক (২৪ অক্টোবর – ২২ নভেম্বর)
প্রতিটি বৃশ্চিকের মধ্যেই যেন লুক্কায়িত আছে একেকটি অ্যাটম বোমার শক্তি। প্রবল আবেগ আর উন্নাসিকতার জন্য বৃশ্চিক জাতক-জাতিকা বেশ বিখ্যাত বা কুখ্যাত। যৌন জীবনে তা অনুদিত হয় উত্তেজনায় ভরপুর যন্ত্রণা আর উচ্ছ্বাসের সংমিশ্রণে এক আকর্ষণীয় মেলোড্রামায়। একজন বৃশ্চিকের দৃষ্টি ঠিক একটি ঈগলের মতো, যা সবকিছূ ভেদ করে আপনার কিছু বোঝার আগেই করে ফেলবে বশীভূত। আর অফিসিয়ালি একটা কথা সবার জেনে রাখা দরকার। জ্যোতিষশান্ত্রে এই বশ্চিক রাশিই আনুষ্ঠানিকতার স্বীকৃত তার প্রবল শক্তিশালী যৌনাবেদনের জন।
 ধনু (২৩ নভেম্বর – ২১ ডিসেম্বর)

ধনু রাশির কাউকে পার্টনার হিসেবে পাওয়াটা বেশ মজার অভিজ্ঞতার সূচনা করবে, এটি বলার অপেক্ষা রাখে না। কারণ সাধারণ বেশ অ্যাথলেটিক গড়নের ধনুরা বেশি রসবোধসম্পন্ন, বর্হিমূর্খী এনাজের্টিক এবং আশাবাদী। আর এসব গুন আপনার কাছে অন্তরঙ্গ মুহূর্তে তারা প্রকাশ করবে ঠাট্টা-তামাশা, মজার সব সেক্সুয়াল অ্যাক্ট আর বিভিন্ন ফোর প্লের মাধ্যমে। এহেন আকষর্ণীয় সঙ্গী-সঙ্গিনী থেকে কীভাবে দূরে থাকা সম্ভব?